রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া এলাকার স্বচ্ছ টাওয়ারের একটি ফ্ল্যাটে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীকে হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় ও নির্যাতনের অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার শেখপাড়া গ্রামের সারোয়ার জাহানের ছেলে মোহাম্মদ তৌকির জাহান স্মরণ (২৯); রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে আবু রায়হান (২৪); রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া (সুফিয়ানের মোড়) গ্রামের শাহীন রেজা ওরফে নরেশ চন্দ্র মধুর ছেলে শাহরিয়ার মামুন (২৯) এবং রাজপাড়া থানার বহরমপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে জুনাইরা ইসলাম (২২)।
রবিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম গাজী (২৮) বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন যে, কতিপয় ব্যক্তি প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলেন। সেখানে তাকে জিম্মি করে অর্থ আদায় ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার সত্যতা যাচাই ও রহস্য উদঘাটনে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য ও সূত্রের ভিত্তিতে বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হানি ট্র্যাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার শেখপাড়া গ্রামের সারোয়ার জাহানের ছেলে মোহাম্মদ তৌকির জাহান স্মরণ (২৯); রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে আবু রায়হান (২৪); রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া (সুফিয়ানের মোড়) গ্রামের শাহীন রেজা ওরফে নরেশ চন্দ্র মধুর ছেলে শাহরিয়ার মামুন (২৯) এবং রাজপাড়া থানার বহরমপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে জুনাইরা ইসলাম (২২)।
রবিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম গাজী (২৮) বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন যে, কতিপয় ব্যক্তি প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে হানি ট্র্যাপের ফাঁদে ফেলেন। সেখানে তাকে জিম্মি করে অর্থ আদায় ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার সত্যতা যাচাই ও রহস্য উদঘাটনে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য ও সূত্রের ভিত্তিতে বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হানি ট্র্যাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :